ফ্রন্ট-এন্ড ডেভলপমেন্টে PHP – (প্রস্তুতি পর্ব)

পিএইচপি – এটি একটি সার্ভার সাইড ল্যাঙ্গুয়েজ। এখন…সার্ভার সাইড কি সার্ভার লেফট সাইড নাকি রাইট সাইড- সেইটা এবং এই টাইপের ভারি ভারি কথা বাদ দেই। মূল কথায় আসি। মূল কথা হইল- আমরা যারা সাধারণ ফ্রন্ট-এন্ড ডেভলপার, তারা PHP এর কথা শুনলে চোখ কপালে উইঠা যায়। মাঝে মাঝে কপাল অতিক্রম কইরা মাথার ঘনকাল চুলে হারায় যায়। আমি এই পোস্টের শুরুতে যেইটা বলতে চাইতেছি, সেইটা হইল এই যে- এত ভয় পাওয়ার কিছু নাই। কেন এত ভয় পাওয়ার কিছু নাই? কারণ আমার মত ধইঞ্চা টাইপ ফ্রন্ট-এন্ড ডেভলপার যদি PHP এর কথা বলতে পারে এবং PHP সম্পর্কে কিছু শেয়ার করতে পারে, তাইলে আপনারা তো অতি অবশ্যই পারবেন। আপনারা শুধু পারবেন তা না, আপনারা আরও অনেক ভাল করবেন আমার বিশ্বাস। ওকে … চলেন শুরু করি।

 

কেন এই সিরিজ?

PHP এর সাথে ফ্রন্ট-এন্ডের কী সম্পর্ক? জীবনেও তো শুনি নাই যে, ফ্রন্ট-এন্ড করতে PHP লাগে। এখন আপনে কুন্খান্ থেইকা আইসা এইসব আজাইরা পেচাল পারতেছেন?

এই টাইপের প্রশ্ন আপনাদের মনে থাকতেই পারে। উত্তর হইল-

  • এখানে আমরা ফ্রন্ট-এন্ডের কাজে যে ধরণের PHP ব্যবহার করবো, সেটা খুবই বেসিক লেবেলের PHP, বিষয়টা আপনিও বুঝতে পারবেন যখন আমরা শুরু করবো। এতই সহজ যে, সিরিজটা শেষ হওয়ার পরে মনে মনে ভাববেন- ধুর্বাল, এইডারেনি ভয় পাইতেছিলাম…হুহ্!
  • যে PHP এর কথা আমরা এখানে বলছি এবং আমরা ফ্রন্ট-এন্ডের কাজে যে PHP শিখবো, এর মাধ্যমে আমাদের ফ্রন্ট-এন্ডের অনেক অনেক এবং আরও অনেক, এত অনেক যে- অনেক কোড, মানে প্রচুর পরিমাণে কোড কমে যাবে। খুবই অল্প কোডের মাধ্যমে আমরা আমাদের ফ্রন্ট-এন্ডের কাজগুলো করতে পারবো। আর আমাদের ফ্রন্ট-এন্ডের অনেক বিরক্তিকর কাজ আছে, যেগুলো এই PHP এর দ্বারা আমরা দূর করে ফেলবো। সবচে’ মজার বিষয় হলো, এত এত সুবিধা পাওয়ার জন্য আমাদের খুবই অল্প PHP লাগবে।

 

এই সিরিজ ফলো করতে কী কী লাগবে?

কিছুই লাগবে না।

মানে … এমন না যে কিছুই লাগবে না, কিছুই লাগবে না মানে- ভয়ের কিছু নাই। আপনে ফ্রন্ট-এন্ড ডেভলপার হৈলেই হৈল, আর কিছু লাগবে না। এখন প্রশ্ন হইল- তাহলে এই পর্বের নাম (প্রস্তুতি পর্ব) কেন দেয়া হইল? (পর্ব – ১) কেন দেয়া হইল না?

উত্তর হইল- (পর্ব – ১) থেকে আমরা যা শুরু করবো, তার জন্য যা প্রস্তুতি লাগবে, সেটা আমরা আজকের পর্বে জানবো, এই জন্য এই পর্বের নাম – (প্রস্তুতি পর্ব)

তো (পর্ব – ১) শুরু করার জন্য আমাদের কি কি প্রস্তুতি নিতে হবে, চলেন সেগুলো দেখি-

  • সর্বপ্রথম আমরা xampp সার্ভার সেটাপ দেবো। xampp সার্ভার কোন দেশের রাজধানী- সেটা জানার কোনই দরকার আপাতত নাই। জাস্ট লিঙ্কে ক্লিক করে যাদের যেই অপারেটিং সিস্টেম, সেই ভার্সনটি ডাউনলোড করে next next next next next next next next next next next next দিয়ে এটা সেটাপ দিয়ে ফেলেন। ওহ … সেটাপ দেয়ার সময় কোথায় সেটাপ দিবেন, সেটার জন্য যখন অপশন আসবে, তখন C ড্রাইভ ছাড়া অন্য কোন ড্রাইভ সিলেক্ট করবেন। যেন অপারেটিং সিস্টেম চেঞ্জ করলে ডাটা হারায় না যায়। xampp সার্ভার কিভাবে সেটাপ দেয়, সেটার জন্য গুগলে হাজার হাজার কুটিকুটি লিঙ্ক পাবেন। সো নিজ দায়িত্বে কাজটা করে ফেলেন।

 

  • অতঃপর…php সম্পর্কে ইউটিউবে যে বেসিক বাংলা টিউটরিয়ালগুলা আছে, সেগুলা ঘাটাঘাটি করেন, যতটুকু মাথায় ঢুকে ঠিক ততটুকু, তার বেশি না। যেগুলা মাথার উপ্রে দিয়া ফুউউউউশ কইরা চলে যাবে, সেগুলারে যাইতে দেন। আপাতত সেগুলা চলে যাওয়াই ভাল।
  • php সম্পর্কে বেসিক হালকা একটু প্রাথমিক জ্ঞান অর্জনের ধারণা হওয়ার পরে…. গুগল মামাকে জিজ্ঞেস করেন যে, php include(); বা php include_once(); কাহাকে বলে। দেখেন গুগল মামা আবারও আপনার স্ক্রিনে হাজারাজার কুটিকুটি লিঙ্ক দেবে। লিঙ্কগুলা নিয়া নাড়াচাড়া করতে থাকেন।

 

আপনারা এই কাজগুলা করতে করতে দেখবেন আমি (পর্ব – ১) নিয়া চইলা আসছি। (পর্ব – ১) এর মধ্যে সব ক্লিয়ার হওয়া শুরু হবে আস্তে আস্তে। আসলে ক্লিয়ার হওয়ার বা করার কিছুই নাই। যেমনটা বলছি- বিরাট সহজ, চিন্তার কিছু নাই।

পরবর্তী পর্ব আসতে দেরি হওয়ার সম্ভবনা অনেক বেশি। তাই ধীরে সুস্থে আরামসে এইগুলা করতে থাকেন। আগামী পর্বে আবারও দেখা হবে। ভাল থাকেন, ভাল থাকতে দেন এবং ভাল রাখেন 🙂

মন্তব্য

মন্তব্য